মৃত্যুর সাথে দাবা খেলা / এরিক শ্যাল্ট ; সুইডিশ থেকে অনুবাদ : নন্দিতা ফরহাদ

[ সুইডিস পত্রিকা Expressen এ ২২ মার্চ ২০২০ তারিখে প্রকাশিত সাংবাদিক এরিক শ্যাল্ট (Eric Schüldt) এর ‘শিশুসুলভ ভয় এবং শান্তিপূর্ণ বিভ্রমের মধ্যে নিক্ষেপ ‘(playing chess with death) অবলম্বনে। ]

“দ্যা সেভেন্থ সীল” এ ম্যাক্স ভন সিডো অভিনীত নাইট ‘মৃত্যুর সাথে দাবা’ খেলার ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারসিলেন।

স্টকহোমের ট্যাবির (Täby) গির্জায় মৃত্যু দাবা খেলে।আমরা এ বছরের শুরুতে কোন এক শনিবার সেখানে গেছিলাম।এই গির্জাটা স্টকহোম শহরের বাইরের অল্প কয়েকটা গির্জার মধ্যে একটা যেইটা প্রায় সবসময়ই দর্শনার্থিদের জন্য  খোলা থাকে।তুষারাবৃত শীতের সকালে যেহেতু তেমন কোথাও যাওয়ার নাই, তাই এই গির্জাটাকে আমাদের কাছে  আকর্ষণীয় গন্তব্য বলে মনে হইছিলো।গির্জাটার অরগান বারের পিছনে সিলিংয়ে একটা চুনের চিত্র আঁকা আছে।এমন জায়গায় আঁকা মোটেই সহজ কম্ম না।আমরা সিঁড়িতে একজন আরেকজনের গা ঘেষে দাঁড়ায়ে অবাক হয়ে  চিত্রকর্মটা দেখতেছিলাম।একে খুঁজে পাইতে চাইলে আপনার মাথাটা পেছনের দিকে অনেক খানি বাঁকাইতে হয়। তা না হলে খুঁজে পাওয়া কঠিন।অবশ্য এই দেওয়াল চিত্রটাকে খুব একটা আহামরি সুন্দর কিছু বলা যায় না। আপনার মনে হইতেই পারে এইটা যেন কোন শিশুর হাতের আনাড়ি কাজ। 

ছবি : ট্যাবির গির্জায় আলবার্টাস পিক্টরের দেওয়াল চিত্র

এখানে মৃত্যুকে আঁকা হইছে একদম দুবলা-পাতলা আর হলুদ রঙে। মনে হচ্ছে মৃত্যুর চেহারা শঙ্কিত, ত্বক শুষ্ক, যেন কঙ্কালের উপরে  চামড়াটা কোন   মতে লেপ্টে আছে।  কেবল খুলির  বিস্তৄত হাসিটা দেখে একে চেনা যায়। 

এতদিনে আমরা সবাই উহানের ভাইরাসটা সম্পর্কে কমবেশি শুনছি। যদিও কয়দিন আগেও এইটা ছিল অনেক  দূরের ব্যাপার।এইটা আমাদের এত কাছে চলে আসতে পারে এমন ভাবনাও বেশ অযৌক্তিক মনে হইছিল। অসুস্থতা হঠাৎ  আমাদের  মধ্যে এসে না পড়া পর্যন্ত আমরা কেউ তেমন গুরুত্ব দেই না,গুজব মনে করে দূরে  সরায় রাখি।একটা বড় মহামারীর শুরুতে এইরকম  ভাবাটাও আসলে খুব একটা অস্বাভাবিক না। ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দের  বসন্তের মহামারীও  এর ব্যতিক্রম  ছিল না। প্রথমে ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে পারে এ নিয়ে মানুষের ফিসফাস শোনা যাচ্ছিল।তারপর হঠাৎ  করেই মৃত্যু এসে দরজায় টোকা দেওয়া শুরু করসিলো । 

ঠিক যেমন ইঙ্গমার বার্গম্যানের চলচ্চিত্র “দ্যা সেভেন্থ সীল”- এ আমরা দেখি মৃত্যু এসে প্রথমে সৈকতে দাঁড়াইলেন, তারপর এসে পৌঁছাইলেন নাইট অ্যান্টনিয়াস ব্লকের  পাশে। অ্যান্টনিয়াস সেই সময় ছিলেন দাবা খেলায় মত্ত।  সেখানে মৃত্যু আসছিলো প্লেগের রূপ ধরে। সিনেমাটার শেষের দিকে, মৃত্যু নাইট এবং তাঁর সঙ্গীকে সাথে করে নিয়ে যান। তাদের সাথে আরো নিয়ে যান ইউরোপের জনসংখ্যার অর্ধেক। সত্যি সত্যি সেইটা ছিল ইতিহাসের একটা অন্যতম বিপর্যয়। নাইটের সাথে মৃত্যুর এই দাবা খেলাটা বাড়তি কিছু সময় পার করার ব্যর্থ চেষ্টা  ছাড়া আর বিশেষ কিছুই ছিল না

ছবি: ইঙ্গমার বার্গম্যানের চলচ্চিত্র “দ্যা সেভেন্থ সীল” (১৯৫৭)

হয়ত কোনদিন ইঙ্গমার বার্গম্যান ঠিক এই সিঁড়িতে দাঁড়ায়েই অর্গান বারের পিছনে সিলিংয়ের এই  দেওয়াল চিত্রটার দিকে তাকায় থাকসেন। হয়ত  এখান থেকেই অনুপ্রেরণা পেয়ে তিনি একটার পর একটা চলচ্চিত্রে মৃ্ত্যুকে বিশেষ গুরুত্ব দিছেন। 

আলবার্টাস পিক্টরের পুরানো এই দেওয়াল চিত্রটা কি বার্গম্যানকে প্রচন্ড নাড়া  দিছিল? নাকি বার্গম্যান দাবা খেলার মধ্যে দিয়েই এই ভয়ঙ্কর মৃত্যুর কাছাকাছি যাওয়ার উপায় খুঁজছেন? 

এর একটা কোন ব্যাখ্যা থাকা উচিত ! সব কিছুই তো আর অর্থহীন হইতে পারে না?

যদিও, আমরা সবাই জানি যে, মৃত্যু আসলে কোনও গোপনীয়তা রক্ষা করে না।

“তো তুমি কি কিছুই জানো না?”  ম্যাক্স ভন সিডোর নাইট চরিত্রটা জিজ্ঞাসা করে।

মৃত্যু জবাব দেয় “আমি অজ্ঞ”।

সেই শনিবারে বেড়াইতে যাওয়ার সময় আমি মৃত্যুর কথা একটাবারের জন্যও ভাবিনি।  কিন্তু এখন আমি প্রতিনিয়ত ভাবতেছি।

ভাবনাটা প্রথমে জাহাজের নিচের ডেকে সামান্য ঝাঁকুনির মতো শুরু হয়, তারপর দ্রুতই  বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছায় যায়। বিশেষ করে যখন থেকে সুইডেনের মহামারী বিশেষজ্ঞ আন্দেস টেগনেলের (Anders Tegnell) প্রতিদিনকার প্রেস কনফারেন্স নিয়ম করে শোনা শুরু করি।তারপরও আমি বলবো আমার  কাছে সবকিছু কেমন যেন সিনেমার মতন মনে হচ্ছিল। কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ, এমনকি কিছুটা দু:সাহসিকও বলা যায়।  

আমার মধ্যে একজন টোভ ইয়ানসন (Tove Jansson), অন্ত:ত একজন মোমিন (কার্টুনের) বাবা (Moomin Dad) বাস করে, যে কিনা দীর্ঘদিন ধরে ভাবতেছিল যে পৃথিবীটা থম ধরে বসে আছে, আর কিছু একটা ঘটে যাওয়ার  জন্য অপেক্ষা করতেছে।হইতে পারে সেইটা দুঃসাহসিক কিছু।  

এমন কোন ঝড় যা জীবনকে বিপজ্জনক করে তুলবে।একদম তছনছ করে দিবে।সেটাই কি কোয়ারেন্টাইন! তারপরে আমরা হয়তো তলপি-তলপা গুছায় আর প্রচুর খাবার-দাবার নিয়ে গ্রামের দিকে চলে যাবো।তখন  এমনকি বিদ্যুৎ চলে গেলেও আমাদের কিছু আসবে যাবে না।আমরা যতদূর সম্ভব কড়িকাঠ জমায় রাখবো আর  কেরোসিন বাতি জ্বালাবো। 

আমি একসময় অনেক ভয় পাইতাম। কিন্তু এখন আর পাই না।আমি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ, আমার বয়স এখন  আর পাঁচ বছর না।আমি এখন আর রাতের পর রাত জেগে জেগে ভাবি না চিরকালের জন্য মাটির নিচে কবরে শুয়ে  থাকতে কেমন লাগবে ! হয়ত শিশুকালে মৃত্যু নিয়ে ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে পড়সি। তাই প্রাপ্তবয়স্ক আমার মধ্যে  এখন আর তেমন একটা মৃত্যুভয় কাজ করে না।মৃত্যু নিয়ে আমার অত্যধিক আগ্রহের ব্যাপারটা এতটা বাড়াবাড়ির  পর্যায়ে ছিল যে, আমার প্রায় প্রতিটা আলাপেই কোন না কোন ভাবে বিষয়টা চলে আসতো।আমি সবসময় ভাবতাম  মৃত্যুর আলাপের সাথে সাথে আমার মধ্যে কিছু একটা যেন জ্বলে উঠবে।কিন্তু এখন তার মুখোমুখি হওয়ার  সাথে সাথে, সেই আলাপের ধারাটা কেমন বদলায় গেছে। 

মৃত্যু এখন ভীষণ রকম বাস্তব হয়ে ধরা দিছে, যখন থেকে দেশে দেশে সংক্রমণ ছড়ায় পড়তে শুরু করলো।আর আমি আবিষ্কার করলাম হঠাৎ করে আমার বয়স আবার পাঁচ বছর হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে যেন জঘন্য কিছু একটা ঘটতে  যাচ্ছে। এইটা যেন একটা ভূতের গল্প শুনে প্রথমে হেসে উড়ায় দেওয়া, তারপরই বুঝতে পারা যে এইটা সত্যিই  এমন একটা ভয় যেইটা রাতের গভীরে যে কাউকে ছোবল বসাইতে পারে। এখন পাথুরে উপকূলে মৃত্যু সত্যিই সত্যিই তীর বেয়ে বেয়ে উঠে আসতেছে। এইজন্য, দুশ্চিন্তার সবচেয়ে খারাপ রাতগুলিতে, আমি ভাবতে শুরু করি যে আন্দেস টেগেল(Anders Tegnell) হলো নাইট অ্যান্টনিয়াস ব্লক।উনি প্রাণপনে দাবা খেলে যাইতেসেন,  তবে কিছু সময়  ছাড়া উনি যেন আর কিছুই জিততে পারবেন না।আর কয়দিন পরেই উনি উনার রাজার  গুটিটা দাবার ছক থেকে মাদুরের উপরে সরায় রাখবেন। তারপর আমাদের সবাইকে ওনার পিছন পিছন দৌড়াতে  হবে। 

অবশ্য আমিই যে একমাত্র এইসব চিন্তা করতেছি তা না।দাবার ছকটায় এই পুরা সমাজটাই পেরেকের মতন আটকায় আছে।সেখানে আমরা এক একজন করে দৌঁড়নোর সঙ্গিকে হারাচ্ছি! যেখানেই আমরা আটকাইতে ব্যর্থ হচ্ছি  সেখানেই আমরা আরও একটা স্কোর হারাচ্ছি।এই খেলাটা ভালভাবে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা দ্রুত কমে আসতেছে। আমরা কি কিছুই করতে পারি না?  এরপরে কী হবে তা কি কেউই বুঝতে পারতেছে না?

মৃত্যু তো দক্ষ দাবা খেলোয়াড়।ম্যাক্স ভন সিডোর নাইট সেইটা খুব তাড়াতাড়ি বুঝে ফেলসিলেন। উনি টের  পাইছিলেন যে খেলায় হারবেন।কিন্তু অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে এইটাও বুঝতে পারসিলেন, মৃত্যু কোনও গোপনীয়তা বহন  করতে পারে না, যেইটা জীবন পারে।এবং দাবা খেলাটা থেকেই উনি এইটা জানসেন।আর আমি টয়লেট পেপার থেকে এই অন্তর্দৃষ্টি লাভ করছি।আমি অনেক দিন থেকেই এমন একটা ব্যাপার খুঁজতেছিলাম, যেইটা কিনা  অনেক দেরিতে এসে বুঝতে পারলাম।অথচ দেখেন তাকগুলি সব এরমধ্যেই খালি হয়ে গেছে। 

হঠাৎ করেই আবিষ্কার করলাম আমার চিরপরিচিত ব্যবসায়িক সমাজের দেওয়া অস্থায়ী ভোক্তা সুরক্ষার মধ্যে আমি আর বসবাস করতেছি না।অথচ এখনো পর্যন্ত কি অসাধারণ ক্ষমতা আর সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবার দুর্দান্ত ধারণা  আমাদেরকে গ্রাস করে আছে।পুরানো কিছু ভেঙ্গে গেলেই সাথে সাথে দৌড়ায় যেয়ে নতুন কিছু কেনা, এইটা যেন  অমরত্বের স্বাদ পাওয়া মতনই একটা ব্যাপার।

আমার জামাকাপড়ের কখনও বয়স হয় না, আমার গাড়িরও  বয়স বাড়ে না, এমনকি আমার ফোনেরও না।যা যা নিয়ে  আমার অসন্তুষ্টি, অথবা মৃত্যুর রাস্তায় যা কিছু হাঁটতেছে সেইটা খুব সহজেই নতুন কিছু দিয়ে প্রতিস্থাপন করে ফেলি। এইটা তো একরকমের চিরজীবন প্রাপ্তি, না কি!

হইতে পারে এই কারণেই টয়লেট পেপার এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠসিলো।এইটা যেন বড় সাদা টয়লেট রোলসের সাথে  মৃত্যুর পাতলা কালো গুটিগুলির এক আনাড়ি দাবা খেলা।এই প্রহসনটা যেন আমাদের ভোগবাদিতা বহাল তবিয়তে  রাখার শেষ সুযোগ।তবে ম্যাক্স ভন সিডোর নাইট জানতেন যে ,এইসবের আসলে কোন মানে নাই। 

আবার আমি ট্যাবির গির্জায় ফিরে আসি।  আমাকে একপ্রকারের লজ্জিত বলা চলে। আমি, যে খ্রিস্টীয়  বিশ্বাসের মধ্যে বহু বছর  বাস করসি । বছরের শুরুতে যখন মহামারীটা শুরু হইছিল, তখন আমি  আশা করসিলাম যে ধর্মীয় বিশ্বাস আমাকে অসুস্থতা আর  মৃত্যুর ভয় থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু আমি ঠিক যেন  পিটারের মতোই আচরণ করছি।পিটার যেমন রোমান সৈন্যরা  আসার সাথে সাথে অস্বীকার করেছিল যে সে  যিশুকে চিনত। এই ভাবেই আমি আবার পাঁচ বছর বয়সী একজন ভীত বালকে পরিণত হইলাম।

গির্জায় আজকে বিকেলে, মৃত্যু এখনও দাবা খেলে যাচ্ছে, ওই অরগান বারটার পিছনেই। আর প্রতিবারই উনি জিতে  যাচ্ছেন। আমি এখনো বেঞ্চে বসে আছি। ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হবার আগে এখানে তেমন বেশি কেউ আসত না। এখানে এখনও আমি একা।

আমাদের দাবারু আন্দেস টেগনেলের (Anders Tegnell) সমালোচনা যখন তুঙ্গে,এইটা যেন  চলচ্চিত্রের সেই স্বীকারোক্তির দৃশ্যের সাথে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ —সেই দৃশ্যটা যেইটা “দ্যা সেভেন্থ সীল”এর কেন্দ্রবিন্দু।  

অ্যান্টনিয়াস ব্লক যখন বিশ্বাস করতে করতে ক্লান্ত।উনি আর বিশ্বাস করতে পারতেছেন না। 

“আমি জ্ঞান চাই!” বলে উনি চিৎকার করে উঠলেন।লোহার শিকের অন্য প্রান্তে তখন মৃত্যু দাঁড়ায় আছে, একটা হুড  দিয়ে লুকানো তার মুখ। 

“আপনি নিশ্চয়তা চান?” মৃত্যু প্রশ্ন করলেন।

নাইট উত্তরে বললেন, “আপনি একে (জ্ঞান অথবা নিশ্চয়তা) যেইটাই বলেন না কেন”!

সব কিছুই অনিশ্চিত। যা অবশ্যই খুব দুঃখের ব্যপার। এইটা কি আর এক মাসের মধ্যে শেষ হবে না? কেউ সেইটা  জানে না। 

এইটাই কি নতুন প্লেগ? তাও কেউ জানে না। 

আমাদের কি এই অটমে আবার কোয়ারেন্টাইন করতে হবে? কোন কিছুই অসম্ভব না। 

আমি অনিশ্চয়তা সবসময়ই ভীষণ রকমের ঘৃণা করি, আর সেটাই কিনা এখন আমাকে ভয় দেখাচ্ছে।

তারপরেও একটা গূঢ় উপলব্ধি আন্তোনিয়াস ব্লকের হইছিল। উনি আজীবন মৃত্যুকে ভয় পেয়েও  শেষ পর্যন্ত ইঙ্গমার বার্গম্যানকে গ্রহণ করতে পারসিলেন।

সবকিছুই অনিশ্চিত। অনিশ্চয়তার এক দুর্বার কুয়াশা।এমনকি সুইডেনের মহামারী বিশেষজ্ঞ আন্দেস টেগনেলের  (Anders Tegnell) সমস্ত উত্তর জানা নেই।

তবে সমস্ত অনিশ্চয়তার মাঝেও প্রায় শিশুসুলভ কিছু আছে।আপনি চাইলে তাকে শান্তি বলতে পারেন। দিনের পর  দিন উদ্বেগের পর, অন্ত:ত সেদিন বিকালে ট্যাবির গির্জায় আমার এমনটাই মনে হইছিল। 

একদিন আমি মরে যাব। কিন্তু এই দাবা খেলাটা অদ্ভুত সুন্দর।আর হেরে যাওয়ার পরে কী ঘটে তা আমরা কেই বা  বলতে পারি! এমন করেই যায় যদি দিন যাক না!

আপনার প্রার্থনায় আপনার যা ইচ্ছা হয় বলবেন।তাতে আমার নাক গলানোর কোন অধিকার নাই।প্রার্থনায় এই অল্প  সময়টুকুতেই খালি আমার ভয় যেন উবে যায়।

———————————————————————————————————————————————————


নন্দিতা ফরহাদ ।জন্ম ঢাকায় । এখন সুইডেনে বাস করেন । পিএইচডি গবেষক ।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s