ষটাও — অর্ক লাবিব

লোডিং

সেই সক্কাল থেকে_

একটা লাইন-ই আওড়াইতেছি,

‘আমি সাইকো তারাপাতায় আঁইকো’

পুরোন লাইবেরিতি চল,

শালার, বই কিনাই লচ!

রূপসী বাংলার—পরে,

ক্যান হয় স্ক্রপরে?

ডরে, ডম্বরু,

ঝম্বরে-ঝ’রে

চলে যাই চম্বলে।

জীবনানন্দ ডেড,

চাঁদ-ফুলের খুনীরা—

ফাইল ডাউনলোডেড।

লোডিং…

চলো চিত্র

কৌতূহল জাগে ক্যামেরা স্পটে_

মানুষ ভাবে সিনেমা।

উপমা বহুমুখী সমবায় সমিতি,

শুয়ে থাকে, জঞ্জালের মহারাজা…

আজ আকাশ সুন্দর,

সেখানে কালো পাখিও ওড়ে

                            —ঝাঁক ধরে।

মাথার উপর মশার মিছিল, ক্রিয়েট করে ঘূর্ণিঝড়। 

চাঁদ পুকুরে নেমে আসে—

তারাপুরের জ্যোৎস্না

শুকনো কুয়োয় তলাবে—

অনার্য ইজতেমা।

নূপুরের আওয়াজ শুনবে

                 —কুকুর আর হায়েনা।

বিদ্যা সিঁড়ি 

                 —কুপ্পুর কুপ্পুর বাশনা।

এবড়ো থেবড়ো ভাবনা,

নিমকি নুন তিমির বুক।

কবিতা পড়ে…

কবির চোখের আবৃত্তি।



বতর আইছে

ছ্যাঁক মারা

পাইচেরি—ভূঁই

আগুর পিয়েজ

ধানির বতর—থুই

অসময়, 

ভুলজন্মে—পথচলা…

এখুন গতর খাইটে খা।

বাইরবেড়ি, গোবর লেপা।

বিঘে চাষে উবদো গজায়।

রাতির বেলা—

গোপন কিসির জন্যি উঁকি দেয়?

বাইতের শাগ,

      পাতার ডগায়—

                   এলেম নেয়।

জ্বেন-পরী,

মগডালে নাচন তোলে—

                          আলো মারে,

                                  পাণিগ্রহণ।

এখন শুধুই পড়ে মনে—

অবগাহন।

কার্নিবাল

চাউলের বর্ডার থেকে আল-মদিনা

কে খুঁজে’রে কার অধিকার? 

দিন গুনাগার আল-কাফফারা!

দিল—চেহারা, 

যোনি—বেজার।

কাঁঠালের সারে আইজ এত আঁশ ক্যা,

এই্ কতাখেন কওয়ার জন্যিও তো একক্ষেন মানুষির দরকার!

চাহিদা বাকী, নগদ খাতে, থুক্কু-ছুটেই বিকেল গড়ে।

অন্ধকার গলি—

রথ থেকে বাচ্চা মেয়েটা জেদ ধরে কিনে নিয়াসে প্লাস্টিক পাখির রঙ্গিন লাঠির চরকা গাড়ি।

কার্নিভালের শিষ কানে আসে?

মাথায় হাঙ্গর ভর করে।

হিঁদুদের ওয়াজ মাহফিল মন্দিরে!

যতই পূণ্যি সমান করে,

ভোগ ব্যালান্স হয়না।

আর বিলের কোকিল ছোবলে মরে!

নিজের চেহারা নিজেই দ্যাখে, আততায়ী—আয়না।

জ্ঞান চোদাইতে ভালোই লাগে!

নিজের ভিতর স্রষ্টা জাগে?

নিজের ভিতর স্রষ্টা পোষে!

আসলে স্রষ্টা

       —হাসে।

পরকালের কাক-পক্ষী ইহকালে চুদে।

কার্নিভালের শিষ কানে আসেনা…

ভাগ্য

ভাঙ্গা আয়না

ফাটা কপাল

হেস্তনেস্ত দম্ভ

বিদ্যে বেহাল।

তুমিও নিজের খোরাক মিটলে_ 

নরকের কুণা-কাঞ্চিতে ঘাপটি মেরে শুয়ে থাকো,

অন্ধকারে…

        —খরগোশ এর মতন

‘ভালোবেসে মরি’ গান যে বাজে

                    —স্বর্গের মঞ্চে।

শিবরাত্রি উদযাপনে

গায়ে গঞ্জে শিরনী বাটে।

যজ্ঞপুরে অবগাহন

মিছরি-মিহির

ভোগ্য মাখন,

মরদেহে ভাগ্য লিখন।


The_End

The End—মাদকের মতন চালু হয়লে বন্ধ করা যায় না,

উপায় নাই থামানির।

জামাইকার জবানির, রেগে ভবানীর !

নেশা…নেশা…

জমজম কূপে পিনিক ঠাসা

ব্রাজিলের প্রিন্স আমারে কিছুনা কিছু তো দিছে

অনুরাগ—খাসা

দেশে, টাকা উৎপাদিত হয় কোথা থেকে?

—বেশ্যা পট্টি!

এই পাঁচ’টা তারা

তারাপুরেও দেখেছি,

ডাক-হরকরা মাঠেও দেখেছে।

বাদ মাগরিব লালের মায়া,

আলাদা কবরে শোয় না।

কিছুই আর শেষ হয়ে ওঠে না।




অর্ক লাবিব। কবি। দর্শনবিদ্যার ছাত্র। গান, গেইম, হরর ভালোবাসেন।
নিবাস: কুষ্টিয়া/সিলেট
কবির ফটোগ্রাফ: মোস্তাক রেজা রাফি

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান